স্থায়ীকরণ সহ বেতনবৃদ্ধির দাবিতে এগিয়ে এলো গ্রাম রোজগার সহায়ক পদে কর্মরত কর্মচারীরা।

পুরুলিয়াঃ স্থায়ীকরণ সহ বেতনবৃদ্ধির দাবিতে এবার এগিয়ে এলো গ্রামপঞ্চায়েতে গ্রাম রোজগার সহায়ক পদে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীরা।এদিন পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর ১ নং ব্লকের কমিউনিটি হলে একটি সভার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রায় ১০০ জন কর্মচারী তাদের দাবিদাওয়া নিয়ে এগিয়ে আসেন।সভায় গ্রাম রোজগার সহায়ক পদে কর্মরত কর্মচারীদের স্থায়ীকরণ সহ সম্মাজনক ও যোগ্যতা অনুযায়ী বেতনবৃদ্ধি এছাড়াও অবসরকালীন ভাতা প্রভৃতি দাবীগুলি রূপায়ণের ব্যপারে আলোচনা করা হয় হয়।

রাজ্যের গ্রাম রোজগার সহায়ক (GRS) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপ্রতিম জানা জানান, “তারা খুব শীঘ্রই ফেব্রুয়ারী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই দাবিগুলি পূরণের জন্য রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তর, কলকাতাতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভের কর্মসূচি নেবেন।পাশাপাশি এব্যাপারে তারা কেন্দ্রীয় সরকারেরও দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য দিল্লীতে কর্মসূচি রাখবেন।” তিনি আরও জানান “আমরা গত দশবছর ধরে রাজ্যের উন্নয়ণে অক্লান্ত পরিশ্রম করলেও , আশানুরূপভাবে আমাদের বেতনবৃদ্ধি হয়নি , এমনকি অন্যান্য দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের স্থায়ীকরণ হলেও আমরা ব্রাত্যই রয়েগেছি।” তিনি আরও জানান,”দিনরাত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে সারা ভারতবর্ষের মধ্যে আমরাই রাজ্যকে ১০০ দিনের বা MGNREGS কাজে প্রথম সারিতে নিয়ে এসেছি।তাই আমরা মনে করি রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী আমাদের প্রতি সদয় না হয়ে পারবেন না,যদি আমরা আমাদের বার্তাকে সঠিকভাবে উনার নিকট পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়।”

গ্রাম রোজগার সহায়ক পদে কর্মরত পুরুলিয়া জেলার পদাধীকারি মধুসূদন মাহাতো জানান, “দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আমরা এই পদে কর্মরত কিন্তু আজও আমাদের পদোন্নতি ঠিকমতো হয়নি।অথচ বিগত ২ বছর ধরে কন্ট্রাকচুয়েল কর্মচারীদের রাজ্য সরকার নিযুক্ত করেছে তাদের কিন্তু দু’এক বছরের মধ্যেই বেতন প্রায় ১১,০০০ টাকা কিংবা তার বেশি হয়ে গেছে।আর আমরা গত ১০ বছরে ধরে কাজ করছি আমাদের বেতন ১০,০০০ টাকাতেই আটকে রয়েছে।” একিসঙ্গে তিনি স্থায়ীকরণের দাবি তুলে আরও বলেন,”আমরা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে না গিয়ে পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের দাবি গুলো রাজ্য সরকারের কাছে তুলে ধরবো।তারপরেও যদি আমাদের দাবিগুলো রাজ্য সরকার মানতে নারাজ হয় তাহলে আমরা আগামীদিনে আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবো।”

error: Content is protected !!