পুরুলিয়ায় ট্রেন চালানোর দাবিতে দিল্লীর রেল ভবনের বাইরে ধর্নায় পুরুলিয়ার যুবক।

বিশাল পান্ডে,পুরুলিয়া: “ভিক্ষা নয়,অধিকার চাই আমরা পুরুলিয়াবাসী,আমাদের ট্রেন চাই।” এমনই লেখা প্লেকার্ড হাতে নিয়ে পুরুলিয়া সহ আদ্রা ডিভিশনে ট্রেন পরিষেবা চালু করার দাবিতে এবার দিল্লীর রেল ভবনের বাইরে ধর্নায় বসলেন পুরুলিয়ার যুবক তুষার অগস্তি।

অতিমারী করোনা ভাইরাসের দাপটে অনেকটাই থমকে গেছে জনজীবন।এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে না আসা পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে না জনজীবন আর সেই চিত্রটাই ধরা পড়েছে বারে বার বিভিন্ন প্রান্তে।তবে পুরুলিয়া জেলার ছবিটা একটু অন্য ধরণের, কারণ এখানে প্রায় অধিকাংশ মানুষজন দিন আনে দিন খায়।আজ প্রায় আট মাস ধরে ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় যেন আরও বেশী করে অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়ছেন পুরুলিয়ার সেই সব মানুষজন যারা দিন আনে দিন খায়।

আর পুরুলিয়ার সেইসব খেটে খাওয়া মানুষজনদের অর্থনৈতিক সমস্যার কথা পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া পুরুলিয়া জেলার প্রত্যেকটি নাগরিকের সুবিধার্থে চলিত সপ্তাহের মঙ্গলবার পাশে আছি পুরুলিয়া নামে সামাজিক সংগটনের সভাপতি তুষার অগস্তি ঝাড়খণ্ডের টাটানগর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আনন্দবিহার এক্সপ্রেসে করে দিল্লী পৌঁছান।বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত হাতে প্লেকার্ড নিয়ে ধর্নায় বসেন পুরুলিয়া সহ আদ্রা ডিভিশনে ট্রেন চালানোর দাবীতে দিল্লী রেল ভবনের বাইরে।

এবিষয়ে তুষার অগস্তি বলেন, “রেল ভবনের বাইরে ধর্নায় বসাকালীন পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অনেকেই আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন কেন আমি ধর্নায় বসেছি।উত্তরে আমি আমার মাতৃভূমি পুরুলিয়ায় ট্রেন পরিষেবা দীর্ঘ দিন ধরে কেন্দ্র সরকারের তরফে বন্ধ রেখে দেওয়ার ফলে পুরুলিয়ার প্রত্যেকটি মানুষ কতটা সমস্যার۔ সমুক্ষীন হয়েছেন তা বুঝিয়ে বলেছি।এরপরেই ধর্নায় বসে থাকা স্থানে আসেন কর্মরত আর.পি.এফ কর্মীরা তাদেরকেই একই ভাবে বুঝিয়ে বলার পর তারা আমাকে রেল ভবনের ভিতরে গিয়ে স্মারক লিপি প্রদান করার ব্যাবস্থা করে দেন।তিনি আরও জানান,এর আগেও আমি আদ্রা ডিভিশনে ট্রেন চালানোর দাবীতে তিনবার রেলমন্ত্রীকে চিঠি করেছি কিন্তু কাজের কাজ কিছু না হওয়ায় আমাকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছে।তবে রেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতক্ষণ না ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালু করা হয় এই পুরুলিয়ায় ততক্ষন আমার আন্দোলনের প্রতি আমি অনড় থাকবো।”

error: Content is protected !!